
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় অপারেশন ডেভিল হান্টে যৌথবাহিনীর ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় ২৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলিসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নৌবাহিনীর হাতিয়া কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আফসার আহমেদ থানা চত্বরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরুর পর থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরকিং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাওছার মিয়ার ইটভাটার সামনে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুঁড়ে সন্ত্রাসীরা।

এসময় যৌথবাহিনী পাল্টা ২৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি চালালে ১০-১৫ জন অস্ত্রধারীকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। পরে ওই এলাকা তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ মো. নবীর উদ্দিন ও ইমাম হোসেন নামে দুই সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটকদের থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি একনলা বন্দুক, আটটি কার্তুজ, ২০টি ককটেল, দুটি ডেগার, তিনটি কিরিচ ও একটি ধারালো তলোয়ার রয়েছে।

কমান্ডার আফসার আহমেদ আরও জানান, আটক ও পলাতকরা গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত। অস্ত্রসহ আটকদেরকে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়েছে। আটকদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।