রফিকুল আমীনসহ ডেসটিনির ১৯ জনের একযুগ কারাদণ্ড
আপলোড সময় :
১৫-০১-২০২৫ ০৩:৩২:৩৫ অপরাহ্ন
ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ১৯ জনকে ১২ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম গাছ বিক্রির টাকা আত্মসাতের মামলায় এ রায় দেন।
অন্যান্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সাবেক সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুনুর রশিদ, প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান মো. হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ গোফরানুল হক, মো. সাইদ-উর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়েবুর রহমান, গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানী, ফারহা দিবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, প্রফিট শেয়ারিং ডিস্ট্রিবিউটর মো. জসিম উদ্দীন ভূঁইয়া, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ এস এম আহসানুল কবির বিপ্লব, জোবায়ের সোহেল, আব্দুল মান্নান এবং ক্রাউন এক্সিকিউটিভ মোসাদ্দেক আলী খান।
আসামিদের মধ্যে রফিকুল আমীন ও তার স্ত্রী ফারহা দিবা, মোহাম্মদ হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুনুর রশিদ জামিনে রয়েছেন। রায় ঘোষণার আগে তারা আদালতে হাজির হন। অন্য ১৫ আসামি পলাতক রয়েছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
অন্যদিকে ডেসটিনির মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় দুই হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার ২২৭ টাকার দ্বিগুন অর্থাৎ চার হাজার ৫১৫ কোটি ৫৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। যা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন এ তথ্য জানান।
গত ১১ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ দুই মামলায় রায়ের তারিখ ২৮ নভেম্বর ধার্য করেন আদালত। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তা পিছিয়ে ১৫ জানুয়ারি করা হয়।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই ঢাকার কলাবাগান থানায় এ দুটি মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরকার। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৪ মে একটি মামলায় ১৯ জনের এবং অপর মামলায় ৪৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।
২০২২ সালের ১২ মে একই আদালত অর্থপাচারের এক মামলায় রফিকুল আমীন ও হারুনসহ ৪৬ আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। এর মধ্যে রফিকুল আমীনকে ১২ বছর ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
কমেন্ট বক্স